গবাদিপশু পালন, মাঠপর্যায়ের তদারকি এবং হালাল বিনিয়োগ ব্যবস্থাপনাকে একটি লাইভ ডাটা ও অটোমেটেড ট্র্যাকিং ফ্রেমওয়ার্কে নিয়ে আসা হয়েছে।
আতিক একাডেমি পরিচালিত 'চেইন বারাকাহ' কার্যক্রম কেবল একটি ব্যবসায়িক উদ্যোগ নয়—এটি একটি পারস্পরিক বিশ্বাস, অকৃত্রিম আন্তরিকতা ও পবিত্র অঙ্গীকারের যাত্রা।
আমাদের লক্ষ্য: প্রান্তিক খামারি ভাই-বোনদের পুঁজিসংকট দূর করে স্বাবলম্বী করা এবং সমাজকে সুদের অন্ধকার ও এনজিও-র শোষণমূলক ঋণ থেকে মুক্ত করা।
"এই হালাল ও সৎ আত্মনিবেদনের উসিলায় প্রতিটি ঘরে ঘরে রহমত ও অর্থনৈতিক সমৃদ্ধি বয়ে আসবে।"
আনুষঙ্গিক খরচ বাদ দিয়ে নিট মুনাফার উপর ভিত্তি করে বণ্টন হয়। মূল পশু সর্বদা বিনিয়োগকারীর সম্পদ।
সহজ তিনটি ধাপে শুরু হয় প্রতিটি প্রজেক্ট
১ম পক্ষ সম্পূর্ণ মূলধন বহন করে পছন্দ অনুযায়ী গবাদিপশু ক্রয় করেন। পশুর মালিকানা তাঁরই থাকে। ডিজিটাল চুক্তিপত্র স্বাক্ষরিত হয় এবং সিস্টেমে এন্ট্রি সম্পন্ন হয়।
২য় পক্ষ (খামারি) পরম আন্তরিকতায় পশুর খাবার ও দৈনন্দিন যত্ন নিশ্চিত করেন। চিকিৎসা ও প্রজনন খরচ বিনিয়োগকারী বহন করেন। লাইভ ট্র্যাকিং সিস্টেমে তদারকি চলে।
বাচ্চা বা উপজাত বিক্রির পর আনুষঙ্গিক খরচ বাদ দিয়ে নিট মুনাফার ৬০% খামারি এবং ৪০% বিনিয়োগকারী পান। মূল পশু অক্ষুণ্ণ রেখে পরবর্তী চক্র শুরু হয়।
শরীয়াহ সম্মত অংশীদারিত্বের ভিত্তিতে প্রতিটি নিয়মের বিশ্লেষণ
সম্পূর্ণ মূলধন ১ম পক্ষ বহন করেন এবং নিজ দায়িত্বে পশু ক্রয় করেন। ক্রয়কৃত মূল পশুর মালিকানা সম্পূর্ণরুপে বিনিয়োগকারীর। খামারি সর্বোচ্চ আন্তরিকতায় লালন-পালন নিশ্চিত করেন।
দৈনন্দিন খাবার ও সাধারণ যত্নের খরচ খামারি বহন করেন। রোগব্যাধির চিকিৎসা, ওষুধ ও ডাক্তারের খরচ বিনিয়োগকারী সম্পূর্ণ বহন করেন। প্রজনন খরচও বিনিয়োগকারী প্রদান করেন।
মূল পুঁজি বা পশু সর্বদা ১ম পক্ষের স্থায়ী সম্পদ। নিট মুনাফার ৬০% খামারি এবং ৪০% বিনিয়োগকারী গ্রহণ করেন।
প্রাকৃতিক কারণে বা আল্লাহর হুকুমে পশুর মৃত্যু হলে খামারির কোনো দায় নেই। তবে স্পষ্ট অবহেলার প্রমাণ থাকলে তদন্ত সাপেক্ষে দায় নির্ধারিত হবে।
নির্দিষ্ট সময়ে পশু প্রজননক্ষম না হলে উভয় পক্ষের সম্মতিতে বিক্রি করে নতুন পশু ক্রয় করা হবে। আগের সকল শর্ত বহাল থাকবে।
সরে আসতে চাইলে ১ মাস আগে অপর পক্ষকে জানাতে হবে। সমাপ্তিতে মূল পশু সুস্থ অবস্থায় ফেরত যাবে এবং বিদ্যমান বাচ্চার লভ্যাংশ ৬০/৪০ ভাগে বণ্টিত হবে।
মূল সার্ভার থেকে সরাসরি সিঙ্ক হওয়া ডাটা
খামার প্রজেক্ট
স্বচ্ছতা গ্যারান্টি
চুক্তি ও ট্র্যাকিং
ক্লাউড ডাটাবেজ
চেইন বারাকাহ নিয়ে সাধারণ জিজ্ঞাসা
আমাদের মূল উদ্দেশ্য প্রান্তিক ও পরিশ্রমী খামারিদের পুঁজিসংকট দূর করে স্বাবলম্বী করা এবং সমাজকে সুদ ও এনজিও-র শোষণমূলক ঋণের গ্রাস থেকে মুক্ত করা। পারস্পরিক সম্মান ও বিশ্বাসের ভিত্তিতে হালাল রিযিকের পথ তৈরি করাই আমাদের লক্ষ্য।
চুক্তি অনুযায়ী, পশুর যেকোনো রোগব্যাধির চিকিৎসা, ওষুধ, ডাক্তারের ফি এবং প্রজনন বা কৃত্রিম বীজের যাবতীয় বড় খরচ সম্পূর্ণ ১ম পক্ষ (বিনিয়োগকারী) বহন করবেন। খামারি কেবল দৈনন্দিন খাবার ও নিয়মিত যত্নের খরচ নেন।
ক্রয়কৃত মূল পশুর মূলধন সর্বদা অপরিবর্তিত থাকে। পশু বা বাচ্চা বিক্রির পর যাতায়াত বা আনুষঙ্গিক খরচ বাদ দিয়ে অবশিষ্ট নিট মুনাফার ৬০% খামারি এবং ৪০% বিনিয়োগকারী পাবেন। ডিজিটাল সিস্টেমে সম্পূর্ণ হিসাব স্বচ্ছভাবে সংরক্ষিত থাকে।
না। সম্পূর্ণ প্রাকৃতিক কারণে বা আল্লাহর হুকুমে কোনো দৈব-দুর্বিপাকে ক্ষতি হলে তা আল্লাহর ফয়সালা হিসেবে মেনে নেওয়া হবে, খামারির কোনো দায় থাকবে না। তবে স্পষ্ট গাফিলতির প্রমাণ পাওয়া গেলে তদন্ত সাপেক্ষে দায় বর্তাবে।
কমপক্ষে ১ মাস আগে অপর পক্ষকে লিখিতভাবে জানাতে হবে। সমাপ্তির সময় মূল পশু সুস্থ অবস্থায় বিনিয়োগকারীকে ফেরত দিতে হবে। সেই সময়ের বিদ্যমান বাচ্চা থাকলে ন্যায্য মূল্যে বিক্রি করে ৬০/৪০ নিয়মে লভ্যাংশ বণ্টন করা হবে।
একজন খামারি হিসেবে চেইন বারাকাহ পরিবারে যোগ দিন। আমরা আপনার সাথে কথা বলতে প্রস্তুত।